আমরা কে এবং কী করি?
bdk999-এর গল্পটা শুরু হয়েছিল একটা সাধারণ ভাবনা থেকে
বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট ভালোবাসেন, ফুটবল নিয়ে রাত জাগেন, ই-স্পোর্টসে মেতে ওঠেন। কিন্তু এই উত্তেজনায় ভাগ নেওয়ার জন্য একটা নির্ভরযোগ্য, বাংলায় সহজবোধ্য প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল। bdk999 সেই অভাব পূরণ করতেই এসেছে।
আমরা একটি আন্তর্জাতিক মানের অনলাইন বেটিং ও ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্ম, যেটা বিশেষভাবে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি। বিকাশ-নগদ-রকেটে লেনদেন, বাংলায় কাস্টমার সাপোর্ট, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সম্পূর্ণ কভারেজ – এই সবকিছু একত্রে দেওয়ার চেষ্টা করেছি আমরা।
আমাদের প্ল্যাটফর্মে এখন পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী আছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত মানুষ bdk999 ব্যবহার করছেন। এই বিশ্বাসটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
আমাদের শুরুর গল্প
২০১৮-১৯ সালের দিকে বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং করা মানে হয় ইংরেজিতে ভরা বিদেশি সাইট, নয়তো বিশ্বস্ততায় প্রশ্নবিদ্ধ স্থানীয় পেজ। পেমেন্ট করতে হতো ডলারে বা ক্রিপ্টোতে, সমস্যা হলে কোনো সাপোর্ট পাওয়া যেত না। বাংলায় কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল না।
সেই অভিজ্ঞতা থেকেই bdk999-এর জন্ম। একটি ছোট দল মিলে ঠিক করলেন যে বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটা সত্যিকারের দেশীয় বেটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে – যেখানে ভাষা বাধা হবে না, পেমেন্ট সহজ হবে এবং নিরাপত্তায় কোনো আপস হবে না।
শুরুটা ছিল ছোট। প্রথম বছরে কয়েক হাজার ব্যবহারকারী, মূলত ক্রিকেট বেটিংয়ের দিকে মনোযোগ। তারপর ধীরে ধীরে ফুটবল, টেনিস, ই-স্পোর্টস যোগ হলো। মোবাইল অ্যাপ এলো, ভিআইপি প্রোগ্রাম চালু হলো। আর আজ পাঁচ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি bdk999-কে তাদের বেটিং গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
সংখ্যায় আমাদের যাত্রা
মাত্র কয়েক বছরে এই বৃদ্ধি হয়েছে কারণ আমরা কখনো শর্টকাটে যাইনি। প্রতিটি ফিচার আসল ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক থেকে তৈরি হয়েছে। কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ হয়েছে ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী।
আমাদের প্রতিশ্রুতি – সংখ্যায় নয়, বাস্তবে
অনেক প্ল্যাটফর্ম বড় বড় কথা বলে। আমরা চাই কাজ দিয়ে প্রমাণ করতে। কয়েকটা উদাহরণ দিই। ২০২৩ সালের বিপিএল মৌসুমে আমাদের সার্ভার একটি মুহূর্তের জন্যও বন্ধ হয়নি। একই বছর ঈদুল ফিতরে বোনাস প্রদানে কোনো বিলম্ব হয়নি। গড় উইথড্রয়াল সময় সাধারণ সদস্যদের জন্য ছিল তিন ঘণ্টার নিচে।
কাস্টমার সাপোর্টে আমাদের প্রথম প্রতিক্রিয়ার সময় গড়ে তিন মিনিট। বাংলায় কথা বলতে পারা সাপোর্ট এজেন্টরা শুধু সমস্যার সমাধান করেন না, বেটিং সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ে গাইড করতেও পারেন। যারা নতুন, তাদের জন্য পুরো রেজিস্ট্রেশন থেকে প্রথম বেট পর্যন্ত গাইডেন্স দেওয়া হয়।
পেমেন্টের বিষয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট – কেউ টাকা জিতলে সেটা তার। কোনো অযৌক্তিক বাধা বা অতিরিক্ত ডকুমেন্টেশনের ঝামেলা নেই। শুধু প্রয়োজনীয় যাচাইকরণ, তারপর দ্রুত পেমেন্ট। এই সরল নীতিতেই bdk999 চলে।
বাংলাদেশের বেটিং সংস্কৃতি বোঝার চেষ্টা
আমরা দেখেছি বাংলাদেশের বেটররা মূলত ক্রিকেটপ্রেমী। তারা দলের প্রতি আবেগী, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে আগ্রহী এবং ন্যায্য অডস চান। সেই বোঝাপড়া থেকেই bdk999-এ ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি বেটিং বাজার রাখা হয়, BPL-এর প্রতিটি ম্যাচ কভার করা হয় এবং অডস প্রতিযোগিতামূলক রাখা হয়।
ফুটবলপ্রেমীরাও বঞ্চিত নন। রাত তিনটেয় চ্যাম্পিয়নস লিগ দেখতে বসা মানুষের জন্য লাইভ বেটিং সুবিধা সবসময় চালু থাকে। ই-স্পোর্টসের তরুণ প্রজন্মের কথা ভেবেও আলাদা বিভাগ তৈরি করা হয়েছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, bdk999 বাংলাদেশের প্রতিটি খেলাপ্রেমীর জন্য কিছু না কিছু রেখেছে।